অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে এবং বিভিন্ন গ্রুপে একই ধরনের পোস্ট শেয়ার করে দাবী করছে যে কুয়েত সরকারীভাবে ফ্রান্সের সকল পণ্য বর্জন করেছে। এটি সত্য নয়, ফেইক।
Dr. Abdullah Jahangir – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিঃ) সমর্থক গোষ্ঠীর নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে Kawsar Bin Hossain নামের একাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টই এরই মধ্যে প্রায় ৫০০ শেয়ার হয়। ছড়িয়ে যায় স্যোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল এ পোস্টে বলা হয়, “ফ্রান্সের সকল ধরনের পণ্য কুয়েত সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে বয়কট করেছে। আমাদের দেশেও বয়কট করতে হবে।”
তবে Factখুঁজির অনুসন্ধানে দেখা যায় কুয়েত, জর্ডান এবং কাতারের অনেক দোকানদার ফরাসি পণ্য বয়কট করেছে। দোকান থেকে তারা ফরাসি পণ্য সরিয়ে ফেলেছে। কুয়েত সরকার পণ্য বর্জন করার কোন ঘোষণা এখনও দেননি।
কুয়েত সরকারীভাবে ফরাসি পণ্য বর্জনের ঘোষণা দিলে তা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচার হত। বাংলাদেশের কোন সংবাদ মাধ্যমেও এমন নিউজ প্রকাশিত হয়নি যে কুয়েত সরকারীভাবে ফরাসি পণ্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে অনেক গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করেছে যে ইসলাম নিয়ে এমানুয়েল ম্যাঁক্রোর মন্তব্যের কারনে ফরাসি পণ্য বয়কটের প্রচারণা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি ইসলাম নিয়ে কার্টুন ও এনিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মন্তেব্যে সমালোচনা হচ্ছে অনেক মুসলিম দেশে। কুয়েতে অনেক দোকানি ফরাসি পণ্য বর্জন করলেও কুয়েত রাষ্ট্রিয়ভাবে এই বর্জনের ঘোষনা দেননি। এটি একটি অপপ্রচার।