“ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার পদপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ফের গুজব”

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং মেম্বার পদপ্রার্থীদের নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তথ্যটি একটি গুজব ও অপপ্রচার।

বুধবার সকাল থেকে অনেকে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জানাতে থাকে যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে HSC আর মেম্বার পদপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে SSC। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এই মর্মে গেজেটে প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। এমন সিদ্ধান্তের জন্যে কেউ কেউ আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাধুবাদও জানিয়েছেন।

Factখুঁজির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এধরণের কোন সিদ্ধান্ত সরকার বা নির্বাচন কমিশন নেয়নি। সরকার বা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক কোন গেজেটও প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালায় এবং নির্বাচন কমিশন সুত্রের সাথে কথা বলে এধরণের তথ্যের কোন সত্যতা খুঁজে পায়নি।

এটি একটি গুজব এবং গুজবটি ছড়ানোর ক্ষেত্রে টেলিভিশন চ্যানেল DBC’এর নাম ব্যবহার করা হয়েছে। বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এডিটর প্রণব সাহা জানান, DBC ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোন তথ্য প্রচার করেনি।

ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এর আগেও গুজব ছড়ানো হয়েছে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে তথ্য অধিদপ্তর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সেটাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দেয়। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা মেম্বার পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ২৫ বছরের উর্ধ্বে যেকোনো নারী-পুরুষ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে। তবে জানা গেছে, চেয়ারম্যান এবং মেম্বার পদপ্রার্থীদের নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের একটি উদ্যোগ নির্বাচন কমিশন গ্রহন করেছে।

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.